মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

                                                                                              

 

সিটিজেন চার্টার

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, পাবনা।

ডিজিটাল ভূমি জরিপের প্রাথমিক স্তরে জিওডেটিক কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক স্থাপন অর্থাৎ প্রতিটি মৌজায় কমপক্ষে ০২টি দৃশ্যমান পাঁকা পিলার (কংক্রিট পিলার যার মধ্যে কোন ধরনের ধাতব বস্তু নেই) নির্মাণের জন্য জরিপ টিমকে সহায়তা করুন । কারণ উক্ত পিলারটি ভবিষ্যতে সঠিকভাবে ভূমি পরিমাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বিধায় ভূমি মালিকগণ উক্ত পিলারগুলি রক্ষণাবেক্ষণ করুন।

 

০১) জরিপ এলাকায় জরিপ শুরু হওয়ার সাথে সাথে আপনার মালিকানাধীন জমির সীমানা/আইল জরিপ কাজে নিয়োজিত সার্ভে টিমকে দেখিয়ে দিন।

০২) খানাপুরী স্তরে নিয়োজিত সার্ভে টিমের নিকট আপনার জমির পূর্ব জরিপের দাগ, খতিয়ান নম্বর, দলিলপত্রসহ মালিকানার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র প্রদর্শন করে আপনার জমির সঠিক রেকর্ড প্রণয়নে সহায়তা করুন।

 

০৩) বুঝারত স্তরে আপনাকে আপনার জমির পর্চা প্রদান করা হবে। পর্চায় নাম, ঠিকানাসহ জমির দাগ, খতিয়ান নম্বর এবং  জমির পরিমাণ মিলিয়ে নিন।

 

 

০৪) পর্চায় ভুলভ্রান্তি পরিলক্ষিত হলে “বিবাদ (Dispute) ফরম” পুরণ করে সংশ্লিষ্ট সার্ভে টিমের নিকট দাখিল করুন এবং হল্কা অফিসারকে শুনানী গ্রহণ নিষ্পত্তিতে সহায়তা করুন।

 

০৫) তসদিক স্তরে খানাপুরী ও বুঝারত স্তরে প্রণীত আপনার খতিয়ান রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিককৃত (সত্যায়িত) করে নিন । এস্তরে খতিয়ানে ভুলভ্রান্তি পরিলক্ষিত হলে বিবাদ (Dispute) দাখিল করে তসদিক অফিসার কর্তৃক তা সংশোধন করিয়ে নিন।

 

 

০৬) তসদিক সমাপ্তির পর খতিয়ান জনসাধারণের জন্য ৩০দিন উন্মুক্ত রাখা হয় এবং এ পর্যায়ে ভূমি মালিকের নামের প্রথম অক্ষর অনুসারে খতিয়ানে একটি নতুন নম্বর প্রদান করা হয়। আপনার খতিয়ানে এই ডিপি নম্বর মিলিয়ে নিন।

 

০৭) ডিপি খতিয়ানের বিরুদ্ধে আপনার কোন আপত্তি থাকলে উল্লেখিত ৩০ দিনের মধ্যে ২০ টাকার কোর্ট ফি জমা দিয়ে ৩০ বিধি অনুযায়ী খসড়া প্রকাশনা ক্যাম্পে আপত্তি দাখিল করতে পারেন। আপত্তি অফিসার আপনার আপত্তি শুনে নিষ্পত্তি করবেন।

 

 

০৮) আপত্তি অফিসারের রায়ে সংক্ষুব্ধ হলে ৩১ বিধি অনুযায়ী আপনি আপীল দায়ের করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন আপীল স্তরই রেকর্ড প্রস্ত্তুতের জন্য আপনাকে দেয়া সর্বশেষ সুযোগ। আপত্তির রায় প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে আপীল দায়ের না করলে আপনার আবেদনটি তামাদির কারণে অগ্রহণযোগ্য হবে।

০৯) আপীল শুনানীর পর নক্সা ও রেকর্ড চূড়ান্ত করা হবে।

১০) নক্সা ও পর্চা প্রিন্ট হয়ে চূড়ান্ত প্রকাশনা কালে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প অফিস থেকে প্রতিটি পর্চা ১০০/- টাকা এবং প্রতিটি নক্সার মূল্য বাবদ ৫০০/- টাকা জমা দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পর্চা/নক্সা সংগ্রহ করতে পারেন। পরবর্তীতে  পর্চা/নক্সা জেলা প্রশাসকের দপ্তরে হস্তান্তরিত হলে আপনি সেখান থেকেও সমপরিমাণ টাকা জমা দিয়ে পর্চা/নক্সা সংগ্রহ করতে পারেন।

১১) চুড়ান্ত প্রকাশনা সংক্রান্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশনার পর প্রকাশিত রেকর্ড সম্পর্কে কোন আপত্তি থাকলে আপনি ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে ২০০/- টাকার কোর্ট ফি দিয়ে অথবা দেওয়ানী আদালতে প্রতিকার প্রার্থনা করতে পারেন।

--০--

 

: ভূমি জরিপের পূর্বে ভূমি মালিকের করণীয় :

 

১) সঠিক রেকর্ড প্রণয়নের স্বার্থে আপনার ভূমির আইল/সীমানা চিহ্নিত করুন।

২) দালালরা সঠিক রেকর্ড প্রণয়নে বিঘ্ন সৃষ্টি করে অতএব দালালদের এড়িয়ে চলুন।

৩) জরিপ চলাকালিন এবং যে কোন সমস্যা ও পরামর্শে প্রয়োজনে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার, পাবনা মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করুন।

৪) জরিপ চলাকালিন আপনার ভূমির দলিল, খাজনা/ খারিজের মূল কপি সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় দলিলাদি প্রদর্শণ করুন।

৫) আসুন সুষ্ঠু রেকর্ড প্রণয়নের স্বার্থে সকলে আন্তরিক হই।

 

  •     জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার, পাবনার      

         সাথে যোগাযোগের ঠিকানা:

 

ওয়েব সাইট      : www.zsopabna.gov.bd

web mail : zsopabna@dlrs.gov.bd

ফোন নং-         ০৭৩১-৬৪২০৫

                     ০৭৩১-৬৫২২৩

ফ্যাক্স নং-         ০৭৩১-৬৬০২৫।

 

 

: ডিজিটাল জরিপের সুবিধা :

 

 

১) এ পদ্ধতিতে আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বা Information and Communication Technology (ICT) ব্যবহার করে ডিজিটাল ডাটা সংগ্রহ ও প্রসেসিং এর মাধ্যমে মৌজা নকশা প্রস্তুত করা হয়ে থাকে।

 

২) এ পদ্ধতিতে আধুনিক জিপিএস, ইলেকট্রোনিক টোটাল স্টেশন (ETS), কম্পিউটার, প্লটার, প্রিন্টার, ম্যাপ স্ক্যানার, প্রসেসিং সফটওয়ার ইত্যাদি ব্যবহার করে মৌজা নকশা ও ম্যাপ ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়ে থাকে।

 

৩) এ পদ্ধতিতে পূর্বে কোন স্কেল নির্ধারনের প্রয়োজন হয় না। ম্যাপ প্রিন্ট করার সময় যে কোন স্কেলে তা প্রিন্ট করা যায়।

 

৪) ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রস্তুতকৃত নকশা প্রয়োজন অনুযায়ী হাল-নাগাদ করা সম্ভব হয়।

 

 

৫) ডিজিটালপদ্ধতিতে জরিপ একবার হলে তা বার বার করার প্রয়োজন হয় না।

 

৬) এ পদ্ধতিতে নকশায় দাগের এরিয়া স্বল্প সময়ে নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়।

 

৭) এ পদ্ধতিতে তৈরী নকশায় বাহুর পরিমাপ, দাগের এরিয়া ইত্যাদি সহজে উপস্থাপন করা যায় ।

 

৮) এ পদ্ধতিতে প্লট বেইজড খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়।

 

৯) এ পদ্ধতিতে ভূমি ব্যবস্থাপনা জটিলতা মুক্ত হয়ে সহজ আকার ধারণ করে।

 

১০) এ পদ্ধতিতে সমন্বিত ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সহজ হয় এবং জনহয়রানিহ্রাস পায়।

 

১১) ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি ক্রয়-বিক্রয়ে জাল-জালিয়াতি রোধ করা সম্ভব হয়।

 

--০--

 

 

সিটিজেন চার্টার

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, পাবনা।

 

ডিজিটাল ভূমি জরিপের প্রাথমিক স্তরে জিওডেটিক কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক স্থাপন অর্থাৎ প্রটি মৌজায় কমপক্ষে ০২টি দৃশ্যমান পাকা পিলার (কংক্রিট পিলার যার  মধ্যে কোন ধরনের ধাতব বস্তু নেই) নির্মাণের জন্য জরিপ টিমকে সহায়তা করুন। কারণ উক্ত পিলারটি ভবিষ্যতে সঠিকভাবে ভূমি পরিমাপের জন্য গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করবে বিধায় ভূমি মালিকগণ উক্ত পিলারগুলি রক্ষণাবেক্ষণ করুন।

০১) জরিপ এলাকায় জরিপ শুরু হওয়ার সাথে সাথে আপনার মালকানাধীনর জমির দাগ, খতিয়ান নম্বর, দলিলপত্রসহ মালিকানার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র প্রদর্শন করে আপনার জমির সঠিক রেকর্ড প্রণয়নে সহায়তা করুন।

০২) বুঝারত স্তরে আপনাকে আপনার জমির পর্চা প্রদান করা হবে। পর্চায় নাম, ঠিকানাসহ জমির দাগ, খতিয়ান নম্বর এবং  পরিমাণ মিলিয়ে নিন।

০৩) পর্চায় ভুলভ্রান্তি পরিলক্ষিত হলে বিবাদ ফরম পুরণ করে সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়ারগণের নিকট দাখিল করুন। হল্কা অফিসার উক্ত বিবাদটি শুনানি অন্তে নিষ্পত্তি করবেন।

০৪) তসদিক, খানাপুরী ও বুঝারতস্তরে প্রণীত খতিয়ান একজন রাজস্ব অফিসার কর্তৃক সত্যায়ন করে নিন। এস্তরে খতিয়ানে ভুলভ্রান্তি পরিলক্ষিত হলে বিবাদ ফরম পুরণ করে তসদিক অফিসার কর্তৃক সংশোধন করে নিন।

০৫) তসদিককৃত খতিয়ান জনসাধারণের জন্য ৩০দিন উন্মুক্ত রাখা হয়। এ পর্যায়ে ভুমি মালিকের নামের প্রথম অক্ষর অনুসারে খতিয়ান সাজানো হয়। আপনার খতিয়ানে  উক্ত নম্বরটি মিলিয়ে নিন। একে ডিপি খতিয়ান নম্বর বলে।

০৬) ডিপি খতিয়ানের বিরুদ্ধে আপনার কোন আপত্তি থাকলে ৩০ বিধি অনুসারে ১০ টাকার কোর্ট ফি জমা দিলে উক্তি খতিয়ানের বিরুদ্ধে আপত্তি দাখিল করুন। আপত্তি অফিসার উক্ত খতিয়ান শুনানি অন্তে নিষ্পত্তি করবেন।

০৭) আপত্তি অফিসারের রায়ে সংক্ষুব্ধ হলে রায় প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে ৩১ বিধি অনুসারে আপনি আপীল দায়ের করতে পারবেন। আপীল স্তরই রেকর্ড সংশোধনের সর্বশেষ স্তর।

০৮। আপীল শুনানীর পর রেকর্ড চুড়ান্ত মুদ্রণের জন্য ছাপাখানায় প্রেরণ করা হবে।

০৯) চুড়ান্ত মুদ্রিত খতিয়ান প্রকাশনা ক্যাম্প থেকে প্রতিটি খতিয়ান ১০০/= এবং প্রতিটি নক্সা ৫০০/= মুল্যে সরবরাহ করা যাবে।

১০) চুড়ান্ত প্রকাশনা সংক্রান্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশনার পর প্রস্তুতকৃত রেকর্ড  সম্পর্কে কোন আপত্তি থাকলে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে দেওয়ানী আদালতে প্রতিকার প্রার্থনা করতে পারবেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ডিজিটাল ভূমি জরিপ

প্রচলিত জরিপ পদ্ধতির স্থলে আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)  নির্ভর জরিপ পদ্ধতিকে আমরা ডিজিটাল ভূমি জরিপ পদ্ধতি হিসাবে আখ্যায়িত করতে পারি। এ ক্ষেত্রে আধুনিক ডিজিটাল যন্ত্রপাতি যেমন, জিপিএস, ইটিএস, কম্পিউটার/ওয়ার্কস্টেশন, প্রিন্টার, প্লটার, ম্যাপ, স্ক্যানার, জিপিএস ও ক্যাডাস্ট্রাল ডাটা প্রসেসিং সফটওয়্যার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। এর সাহায্যে মূলত: মৌজা ম্যাপ ডাটাবেজ এবং খতিয়ান ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়।

 প্রচলিত ভূমি জরিপ ও আধুনিক ভূমি জরিপের মধ্যে পার্থক্য

 

প্রচলিত পদ্ধতি

ডিজিটাল জরিপ

  • এ পদ্ধতিতে ট্রাভার্সকৃত পি-৭০ সিট এবং ব্লু-প্রিন্ট সিটে কাজ করা হয়।
  • এ পদ্ধতিতে আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি বা Inrormation and Communication Tenhnology (ICT)  ব্যবহার করে ডিজিটাল ডাটা সংগ্রহ ও প্রসিসিং এর মাধ্যমে মৌজা নকশা প্রস্তুত করা হয়।

এ পদ্ধিতিতে গান্টার টেইন, পিন, মেটাল স্কেল, গুনিয়া,একর কম, ডিভাইডার, পেন্সিল, রাবার, টেবিল, তে-পায়া ইত্যাদির সাহায্যে নকশা প্রস্তুত করা হয়।

  • এ পদ্ধতিতে আধুনিক জিপিএস, টোটাল স্টেশন, কম্পিউটার,প্লটার, প্রিন্টার, ম্যাপ স্ক্যানার, প্রসিসিং সফটওয়ার ইত্যাদি ব্যবহার করে মৌজা নকশা ও ম্যাপ ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়।
  • এ পদ্ধতিতে একটি নির্দিষ্ট স্কেল নির্ধারণ করে সমতে পি-৭০ প্রস্তুত করে নকশা তৈরী করা হয়।
  • এ পদ্ধতিতে পূর্বে কোন স্কেল নির্ধারনের প্রয়োজন হয় না। ম্যাপ প্রিন্ট করার সময় যে কোন স্কেলে তা প্রিন্ট করা যায়।
  • এ পদ্ধতিতে জরিপ নকশা সহজে হাল-নাগাত করা যায় না।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রস্তুত নকশা প্রয়োজন অনুযায়ী হাল-নাগাদ করা সম্ভব হয়।

  • ভুমি বিভাজনের কারণে নকশার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটলে পুনরায় জরিপ করার প্রয়োজন হয়।
  • এ পদ্ধতির জরিপ একবার হলে তা বার বার করার প্রয়োজন হয় না।
  • এ পদ্ধতিতে নকশায় দাগের এরিয়া নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয় না।
  • এ পদ্ধতিতে নকশায় দাগের এরিয়া স্বল্প সময়ে নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা যায়।
  • এ পদ্ধতিতে নকশার সকল তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হয় না।
  • এ পদ্ধতিতে তৈরী নকশায় বাহুর পরিমাপ, দাগের এরিয়া ইত্যাদি সহজে উপস্থাপন করা যায় ।
  • এ পদ্ধতিতে পারিবারিক খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়।
  • এ পদ্ধতিতে প্লট বেইজড খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়।
  • এ পদ্ধতিতে ভুমি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জটিল ।
  • এ পদ্ধতিতে ভূমি ব্যবস্থাপনা জটিলতা মুক্ত হয়ে সহজ আকার ধারণ করে।
  • এ পদ্ধতিতে পৃথক পৃথক ভূমি ব্যবস্থাপনার কারণে জনহয়রানী বৃদ্ধি পায়।
  • এ পদ্ধতিতে সমন্বিত ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সহজ হয় এবং জনহয়রানী  হ্রাস পায়।
  • এ পদ্ধতিতে একই ভূমি একাধিকবার ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে জালিয়াতির সুযোগ থাকে।
  • এ পদ্ধতিতে ভূমি ক্রয়-বিক্রয়ে জাল-জালিয়াতি রোধ করা সম্ভব হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মনে রাখবেন

  • জরিপ চলাকালীন বদর ফি, খতিয়ান ও নকশার মূল্য ডিসিআর এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। ডিসিআর বহির্ভূত সকল প্রকার লেনদেন নিষিদ্ধ।
  • ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর হতে জমির কোন পর্চা  বা ম্যাপ বেসরকারী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহ করা হয় না ।
  • মাঠ পর্যায়ে জরিপকাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারীগনের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে  সংশ্লিষ্ট জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার বা ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক –কে অবহিত করুন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সিটিজেন চার্টার

জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, পাবনা।

 

ডিজিটাল ভূমি জরিপের প্রাথমিক স্তরে জিওডেটিক কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক স্থাপন অর্থাৎ প্রটি মৌজায় কমপক্ষে ০২টি দৃশ্যমান পাকা পিলার (কংক্রিট পিলার যার  মধ্যে কোন ধরনের ধাতব বস্তু নেই) নির্মাণের জন্য জরিপ টিমকে সহায়তা করুন। কারণ উক্ত পিলারটি ভবিষ্যতে সঠিকভাবে ভূমি পরিমাপের জন্য গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করবে বিধায় ভূমি মালিকগণ উক্ত পিলারগুলি রক্ষণাবেক্ষণ করুন।

০১) জরিপ এলাকায় জরিপ শুরু হওয়ার সাথে সাথে আপনার মালকানাধীনর জমির দাগ, খতিয়ান নম্বর, দলিলপত্রসহ মালিকানার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র প্রদর্শন করে আপনার জমির সঠিক রেকর্ড প্রণয়নে সহায়তা করুন।

০২) বুঝারত স্তরে আপনাকে আপনার জমির পর্চা প্রদান করা হবে। পর্চায় নাম, ঠিকানাসহ জমির দাগ, খতিয়ান নম্বর এবং  পরিমাণ মিলিয়ে নিন।

০৩) পর্চায় ভুলভ্রান্তি পরিলক্ষিত হলে বিবাদ ফরম পুরণ করে সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়ারগণের নিকট দাখিল করুন। হল্কা অফিসার উক্ত বিবাদটি শুনানি অন্তে নিষ্পত্তি করবেন।

০৪) তসদিক, খানাপুরী ও বুঝারতস্তরে প্রণীত খতিয়ান একজন রাজস্ব অফিসার কর্তৃক সত্যায়ন করে নিন। এস্তরে খতিয়ানে ভুলভ্রান্তি পরিলক্ষিত হলে বিবাদ ফরম পুরণ করে তসদিক অফিসার কর্তৃক সংশোধন করে নিন।

০৫) তসদিককৃত খতিয়ান জনসাধারণের জন্য ৩০দিন উন্মুক্ত রাখা হয়। এ পর্যায়ে ভুমি মালিকের নামের প্রথম অক্ষর অনুসারে খতিয়ান সাজানো হয়। আপনার খতিয়ানে  উক্ত নম্বরটি মিলিয়ে নিন। একে ডিপি খতিয়ান নম্বর বলে।

০৬) ডিপি খতিয়ানের বিরুদ্ধে আপনার কোন আপত্তি থাকলে ৩০ বিধি অনুসারে ১০ টাকার কোর্ট ফি জমা দিলে উক্তি খতিয়ানের বিরুদ্ধে আপত্তি দাখিল করুন। আপত্তি অফিসার উক্ত খতিয়ান শুনানি অন্তে নিষ্পত্তি করবেন।

০৭) আপত্তি অফিসারের রায়ে সংক্ষুব্ধ হলে রায় প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে ৩১ বিধি অনুসারে আপনি আপীল দায়ের করতে পারবেন। আপীল স্তরই রেকর্ড সংশোধনের সর্বশেষ স্তর।

০৮। আপীল শুনানীর পর রেকর্ড চুড়ান্ত মুদ্রণের জন্য ছাপাখানায় প্রেরণ করা হবে।

০৯) চুড়ান্ত মুদ্রিত খতিয়ান প্রকাশনা ক্যাম্প থেকে প্রতিটি খতিয়ান ১০০/= এবং প্রতিটি নক্সা ৫০০/= মুল্যে সরবরাহ করা যাবে।

১০) চুড়ান্ত প্রকাশনা সংক্রান্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশনার পর প্রস্তুতকৃত রেকর্ড  সম্পর্কে কোন আপত্তি থাকলে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে দেওয়ানী আদালতে প্রতিকার প্রার্থনা করতে পারবেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ডিজিটাল ভূমি জরিপ

প্রচলিত জরিপ পদ্ধতির স্থলে আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)  নির্ভর জরিপ পদ্ধতিকে আমরা ডিজিটাল ভূমি জরিপ পদ্ধতি হিসাবে আখ্যায়িত করতে পারি। এ ক্ষেত্রে আধুনিক ডিজিটাল যন্ত্রপাতি যেমন, জিপিএস, ইটিএস, কম্পিউটার/ওয়ার্কস্টেশন, প্রিন্টার, প্লটার, ম্যাপ, স্ক্যানার, জিপিএস ও ক্যাডাস্ট্রাল ডাটা প্রসেসিং সফটওয়্যার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। এর সাহায্যে মূলত: মৌজা ম্যাপ ডাটাবেজ এবং খতিয়ান ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়।

 প্রচলিত ভূমি জরিপ ও আধুনিক ভূমি জরিপের মধ্যে পার্থক্য

 

প্রচলিত পদ্ধতি

ডিজিটাল জরিপ

  • এ পদ্ধতিতে ট্রাভার্সকৃত পি-৭০ সিট এবং ব্লু-প্রিন্ট সিটে কাজ করা হয়।
  • এ পদ্ধতিতে আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি বা Inrormation and Communication Tenhnology (ICT)  ব্যবহার করে ডিজিটাল ডাটা সংগ্রহ ও প্রসিসিং এর মাধ্যমে মৌজা নকশা প্রস্তুত করা হয়।

এ পদ্ধিতিতে গান্টার টেইন, পিন, মেটাল স্কেল, গুনিয়া,একর কম, ডিভাইডার, পেন্সিল, রাবার, টেবিল, তে-পায়া ইত্যাদির সাহায্যে নকশা প্রস্তুত করা হয়।

  • এ পদ্ধতিতে আধুনিক জিপিএস, টোটাল স্টেশন, কম্পিউটার,প্লটার, প্রিন্টার, ম্যাপ স্ক্যানার, প্রসিসিং সফটওয়ার ইত্যাদি ব্যবহার করে মৌজা নকশা ও ম্যাপ ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়।
  • এ পদ্ধতিতে একটি নির্দিষ্ট স্কেল নির্ধারণ করে সমতে পি-৭০ প্রস্তুত করে নকশা তৈরী করা হয়।
  • এ পদ্ধতিতে পূর্বে কোন স্কেল নির্ধারনের প্রয়োজন হয় না। ম্যাপ প্রিন্ট করার সময় যে কোন স্কেলে তা প্রিন্ট করা যায়।
  • এ পদ্ধতিতে জরিপ নকশা সহজে হাল-নাগাত করা যায় না।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রস্তুত নকশা প্রয়োজন অনুযায়ী হাল-নাগাদ করা সম্ভব হয়।

  • ভুমি বিভাজনের কারণে নকশার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটলে পুনরায় জরিপ করার প্রয়োজন হয়।
  • এ পদ্ধতির জরিপ একবার হলে তা বার বার করার প্রয়োজন হয় না।
  • এ পদ্ধতিতে নকশায় দাগের এরিয়া নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয় না।
  • এ পদ্ধতিতে নকশায় দাগের এরিয়া স্বল্প সময়ে নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা যায়।
  • এ পদ্ধতিতে নকশার সকল তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হয় না।
  • এ পদ্ধতিতে তৈরী নকশায় বাহুর পরিমাপ, দাগের এরিয়া ইত্যাদি সহজে উপস্থাপন করা যায় ।
  • এ পদ্ধতিতে পারিবারিক খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়।
  • এ পদ্ধতিতে প্লট বেইজড খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়।
  • এ পদ্ধতিতে ভুমি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জটিল ।
  • এ পদ্ধতিতে ভূমি ব্যবস্থাপনা জটিলতা মুক্ত হয়ে সহজ আকার ধারণ করে।
  • এ পদ্ধতিতে পৃথক পৃথক ভূমি ব্যবস্থাপনার কারণে জনহয়রানী বৃদ্ধি পায়।
  • এ পদ্ধতিতে সমন্বিত ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সহজ হয় এবং জনহয়রানী  হ্রাস পায়।
  • এ পদ্ধতিতে একই ভূমি একাধিকবার ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে জালিয়াতির সুযোগ থাকে।
  • এ পদ্ধতিতে ভূমি ক্রয়-বিক্রয়ে জাল-জালিয়াতি রোধ করা সম্ভব হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মনে রাখবেন

  • জরিপ চলাকালীন বদর ফি, খতিয়ান ও নকশার মূল্য ডিসিআর এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। ডিসিআর বহির্ভূত সকল প্রকার লেনদেন নিষিদ্ধ।
  • ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর হতে জমির কোন পর্চা  বা ম্যাপ বেসরকারী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহ করা হয় না ।
  • মাঠ পর্যায়ে জরিপকাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারীগনের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে  সংশ্লিষ্ট জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার বা ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক –কে অবহিত করুন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter